মাদক নিয়ে বিরোধ, যশোরে ১৪ মামলার আসামিকে কুপিয়ে হত্যা
· Prothom Alo

যশোরে হত্যা, মাদক, চাঁদাবাজিসহ ১৪টি মামলার এক আসামিকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ বলছে, মাদক নিয়ে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এ ঘটনায় ১১টি মামলার আসামি তাঁর এক সহযোগীকে আটক করা হয়েছে।
নিহত ব্যক্তির নাম শরিফুল ইসলাম ওরফে জিতু (৩৫)। তিনি যশোর শহরের বারান্দীপাড়া মোল্লাপাড়া এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে।
Visit asg-reflektory.pl for more information.
গতকাল বুধবার রাতে যশোর শহরের বারান্দীপাড়া ফুলতলা মোড়ে শরিফুলকে কুপিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে তাঁকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেয় পুলিশ। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে একই এলাকার সুমন মিয়া (৩২) নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি দা উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে একই এলাকার সুমন মিয়া (৩২) নামের একজনকে আটক করা হয়েছে।
শরিফুলের বিরুদ্ধে হত্যা, মাদক, চাঁদাবাজিসহ ১৪টি মামলা আছে বলে প্রথম আলোকে জানান যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মিরাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আটক সুমন মিয়ার বিরুদ্ধে মাদক, চাঁদাবাজি ও মারামারিসহ ১১টি মামলা আছে।
পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বুধবার রাত ১১টার দিকে শহরের বারান্দীপাড়ার ফুলতলা মোড়ে দুর্বৃত্তরা শরিফুলকে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয় কয়েকজন জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করলে কোতোয়ালি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তাঁকে সেখান থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক কাজী মাসুম রেজা প্রথম আলোকে বলেন, প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হওয়ায় শরিফুলকে ঢাকায় পাঠানো হয়। পরে ঢাকায় নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। মরদেহ হাসপাতালে এনে মর্গে রাখা হয়েছে।