শিশুদের ওপর বর্বরতা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে: ইউনিসেফ

· Prothom Alo

বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্সের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘শিশুদের ওপর বর্বরতা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে!’

Visit een-wit.pl for more information.

গতকাল শুক্রবার দেওয়া এ বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি বাংলাদেশে শিশুদের ওপর ঘটে যাওয়া নির্মম সহিংসতার খবরে ইউনিসেফ গভীরভাবে মর্মাহত ও স্তম্ভিত। এর মধ্যে রয়েছে ছেলে ও মেয়ে শিশুদের ধর্ষণ ও হত্যার মতো ঘটনা। অথচ যেসব জায়গায় তাদের সবচেয়ে নিরাপদ থাকার কথা ছিল, সেখানেই এসব সহিংসতার শিকার হয়েছে তারা।

ইউনিসেফ ভুক্তভোগী সব পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে।

চলতি বছর এ পর্যন্ত বাংলাদেশে নারী ও শিশুদের ওপর নির্মম ও যৌন সহিংসতার খবর যেভাবে বাড়ছে, তা দেশব্যাপী শিশু ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধব্যবস্থা জোরদার করার জরুরি প্রয়োজনীয়তা সামনে এনেছে। অপরাধীদের পার পেয়ে যাওয়ার সংস্কৃতি অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, চলতি বছর এ পর্যন্ত বাংলাদেশে নারী এবং শিশুদের ওপর নির্মম ও যৌন সহিংসতার খবর যেভাবে বাড়ছে, তা দেশব্যাপী শিশু ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা (জিবিভি) প্রতিরোধব্যবস্থা জোরদার করার জরুরি প্রয়োজনীয়তা সামনে এনেছে। অপরাধীদের পার পেয়ে যাওয়ার সংস্কৃতি অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। সেই সঙ্গে প্রতিরোধ, অভিযোগ দায়ের, প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা, শিশুবান্ধব পুলিশ ও বিচারব্যবস্থা এবং সামাজিক সেবার ঘাটতিগুলো দূর করতে হবে।

নারী ও শিশুদের জন্য মানসিক সহায়তার পাশাপাশি স্কুল, মাদ্রাসা, কর্মক্ষেত্র, পাড়া-মহল্লা ও শিশুযত্ন কেন্দ্রে জবাবদিহি আরও বাড়াতে হবে।

গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা যেন ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের অধিকারের প্রতি সম্মান দেখান এবং এ ধরনের ছবি বা ভিডিও শেয়ার করা থেকে বিরত থাকেন। এর বদলে অপরাধীদের শাস্তি থেকে দায়মুক্তি দেওয়ার অবসান ঘটানো ও মানুষের নিরাপত্তা জোরদার করার দাবিতে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে।চার বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, আসামির দোষ স্বীকার

সমাজে নীরবতা বজায় থাকলে সহিংসতা আরও ছড়িয়ে পড়ে। ইউনিসেফ শিশু, নারী, পরিবার ও সমাজের মানুষকে যেকোনো সহিংসতা বা নির্যাতনের বিরুদ্ধে মুখ খোলার আহ্বান জানিয়েছে। এ জন্য প্রয়োজনে চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮-এ যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়েছে, যা ভুক্তভোগী শিশুদের তাৎক্ষণিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় সেবা দিয়ে থাকে।

নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুদের মর্যাদার প্রতি সম্মান জানানো উচিত। তাদের ছবি, ভিডিও বা ব্যক্তিগত তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা একধরনের নতুন নির্যাতন। যাঁরা এগুলো শেয়ার করেন, তাঁরা মূলত ভুক্তভোগী ও তাঁদের পরিবারের মানসিক কষ্ট আরও বাড়িয়ে দেন এবং ভুক্তভোগীদের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করেন।

সমাজে নীরবতা বজায় থাকলে সহিংসতা আরও ছড়িয়ে পড়ে। ইউনিসেফ শিশু, নারী, পরিবার ও সমাজের মানুষকে যেকোনো সহিংসতা বা নির্যাতনের বিরুদ্ধে মুখ খোলার আহ্বান জানিয়েছে। এ জন্য প্রয়োজনে চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮-এ যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়েছে, যা ভুক্তভোগী শিশুদের তাৎক্ষণিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় সেবা দিয়ে থাকে।
চট্টগ্রামে ধর্ষণের পর গুদামে শিশুর লাশ, নরসিংদী থেকে মূল অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

ইউনিসেফ সর্বসাধারণ, গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে, যেন তাঁরা ভুক্তভোগী ও তাঁদের পরিবারের অধিকারের প্রতি সম্মান দেখান এবং এ ধরনের ছবি বা ভিডিও শেয়ার করা থেকে বিরত থাকেন। এর বদলে অপরাধীদের শাস্তি থেকে দায়মুক্তি দেওয়ার অবসান ঘটানো ও মানুষের নিরাপত্তা জোরদার করার দাবিতে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে।

প্রতিটি শিশুরই সব জায়গায়—সমাজে, স্কুলে, ঘরে; এমনকি গণমাধ্যমে তাদের গল্প বা ছবি উপস্থাপনের ক্ষেত্রেও সুরক্ষা পাওয়ার পূর্ণ অধিকার রয়েছে।

শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা: দ্রুত বিচার দাবিতে মিরপুরে বিক্ষোভ, যান চলাচল বন্ধ

Read full story at source