সাবেক সিইসি হাবিবুল আউয়ালের জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি ২৬ অক্টোবর

· Prothom Alo

দিনের ভোট রাতে করাসহ প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগে করা মামলায় সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। হাইকোর্টের জামিনের বিরুদ্ধে করা এই আবেদনটি শুনানির জন্য আগামী ২৬ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়েছে। আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে এ শুনানি হবে। আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক সোমবার এ তারিখ নির্ধারণ করেন।

ওই মামলায় জামিন চেয়ে হাবিবুল আউয়ালের করা আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত ২৮ জুন হাইকোর্ট তাঁর জামিন প্রশ্নে রুল দেন। চূড়ান্ত শুনানি শেষে ৯ সেপ্টেম্বর রায় দেন হাইকোর্ট। রায়ে পাসপোর্ট জমা সাপেক্ষে হাবিবুল আউয়ালকে জামিন দেওয়া হয়। এই জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করে, যা চেম্বার আদালতের সোমবারের কার্যতালিকায় ৬৭ নম্বর ক্রমিকে ওঠে।

Visit h-doctor.club for more information.

আদালতে হাবিবুল আউয়ালের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান ও শাহদীন মালিক শুনানিতে অংশ নেন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. তায়্যিব-উল-ইসলাম সৌরভ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল খালেদ মাহমুদুর রহমান।

পরে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান প্রথম আলোকে বলেন, হাইকোর্ট কাজী হাবিবুল আউয়ালকে জামিন দিয়েছিলেন। এই জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করেন। আবেদনটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তাঁর জামিন স্থগিত করা হয়নি।

তবে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল খালেদ মাহমুদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন শুনানির জন্য ২৬ অক্টোবর তারিখ নির্ধারণ করেছেন চেম্বার আদালত। এ সময় পর্যন্ত হাইকোর্টের হাবিবুল আউয়ালকে দেওয়া জামিন স্থগিত থাকবে।

এর আগে প্রহসনের নির্বাচন করার অভিযোগে সাবেক ৩ সিইসিসহ ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে ২০২৫ সালের ২২ জুন মামলাটি করেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন খান। মামলায় ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়কার সিইসি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ, ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময়কার সিইসি কে এম নূরুল হুদা এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনের সময়কার সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়ালকে আসামি করা হয়।

এ মামলায় হাবিবুল আউয়ালকে ২০২৫ সালের ২৫ জুন রাজধানীর মগবাজার থেকে গ্রেপ্তার করার কথা জানায় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। পরদিন তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়। পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত।

এ মামলায় রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধের ধারা যুক্ত করার বিষয়ে শেরেবাংলা নগর থানার পুলিশ আবেদন করলে গত বছরের ২৫ জুন তা মঞ্জুর করেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত। শেরেবাংলা নগর থানায় এ মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে আছেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, সাবেক আইজিপি হাসান মাহমুদ খন্দকার, জাবেদ পাটোয়ারী, এ কে এম শহীদুল হক প্রমুখ।

Read full story at source