হবিগঞ্জে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে টর্চ জ্বালিয়ে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের সংঘর্ষ, আহত ৫০

· Prothom Alo

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ হয়েছে। গতকাল বুধবার রাতে মিরপুর বাজার এলাকায় এ ঘটনায় অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত কয়েকজনকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে মিরপুর বাজারের একটি ইনডোর ফুটবল মাঠে বানিয়াগাঁও ও পশ্চিম জয়পুর এলাকার কয়েকজন যুবক খেলতে যান। খেলার এক পর্যায়ে পৃথক এলাকার দুই যুবকের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। পরে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই এলাকার লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

Visit asg-reflektory.pl for more information.

একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন দেশি অস্ত্র ও ইটপাটকেল নিয়ে মিরপুর বাজারে জড়ো হন। সন্ধ্যা সাতটা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলে। অন্ধকারের মধ্যে ট্রাকের হেডলাইট ও টর্চলাইট জ্বালিয়ে একে অপরের দিকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। এ সময় দেশি অস্ত্র ব্যবহারেরও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের মধ্যে একটি ট্রাকের চাপায়ও একজন আহত হন। গুরুতর আহত ব্যক্তিদের সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় দুই পক্ষের লোকজনের সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করা যায়নি।

সিরাজুল ইসলাম, বাহুবল উপজেলার মিরপুর বাজার এলাকার ব্যবসায়ীখেলা নিয়ে বিরোধ মাঠেই শেষ হওয়া উচিত ছিল। এভাবে প্রস্তুতি নিয়ে সংঘর্ষে জড়ানো এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুর কোনোভাবেই ঠিক হয়নি।

এ ছাড়া সংঘর্ষের সময় মিরপুর বাজারের কয়েকটি দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী। তাঁদের মধ্যে সিরাজুল ইসলাম বলেন, খেলা নিয়ে বিরোধ মাঠেই শেষ হওয়া উচিত ছিল। এভাবে প্রস্তুতি নিয়ে সংঘর্ষে জড়ানো এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুর কোনোভাবেই ঠিক হয়নি।

খবর পেয়ে বাহুবল মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে বাজার এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

বাহুবল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুহুল আমীন বলেন, ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

Read full story at source