আজাদের চিত্রকলা যেন রঙের কবিতা

· Prothom Alo

শিল্পী সামছুল আলম আজাদের ছবিকে রঙিন কবিতা বলে আখ্যায়িত করেছেন বরেণ্য শিল্পী ইমেরিটাস অধ্যাপক রফিকুন নবী। বলেন, ছবিগুলোর করণকৌশল, রঙের বিন্যাস, আকৃতি—এসব কবিতার মতো ব্যঞ্জনা সৃষ্টি করে।

Visit newsbetting.bond for more information.

আজ শনিবার বিকেলে ধানমন্ডির গ্যালারি চিত্রকে প্রধান অতিথি হিসেবে ‘দৃশ্যমান কাঠামো’ শীর্ষক প্রদর্শনীর উদ্বোধন করে অধ্যাপক রফিকুন নবী এ মন্তব্য করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রফিকুন নবী বলেন, সামছুল আলম ছিলেন তাঁর প্রিয় ছাত্রদের মধ্যে একজন। এই প্রদর্শনীতে তাঁর শিল্পকর্মগুলো কবিতাশ্রয়ী। অনুভূতিপ্রবণ। ছবিগুলোর করণকৌশল, রঙের বিন্যাস, আকৃতি—এসব কবিতার মতো ব্যঞ্জনা সৃষ্টি করে।

সভাপতির বক্তব্যে বিশিষ্ট শিল্পী শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির চেয়ারম্যান অধ্যাপক সোস্তাফিজুল হক বলেন, শিল্পী সামছুল আলমের কাজের মধ্যে দেশের প্রকৃতি ও ঋতুবৈচিত্র্যের নান্দনিকতা খুঁজে পাওয়া যায়। তিনি বলেন, শিল্পীদের একটি সামাজিক দায়বদ্ধতা আছে। সেই দায়িত্ব থেকে সমাজের কল্যাণ ও মানুষের মধ্যে সচেতনতার জন্য কাজ করতে হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন শিল্পীর অগ্রজ কবি ও মুক্তিযোদ্ধা সামশুদ্দোহা মিলন, অভিনয়শিল্পী শংকর সাঁওজাল। স্বাগত বক্তব্য দেন গ্যালারি চিত্রকের পরিচালক শিল্পী মনিরুজ্জামান, সঞ্চালনা করেন শিল্পী জাহিদ মুস্তাফা।

‘দৃশ্যমান কাঠামো’ শীর্ষক শিল্পী সামছুল আলম আজাদের একক চিত্রকলা প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বরেণ্য শিল্পী রফিকুন নবী। শনিবার সন্ধ্যায় ধানমন্ডির গ্যালারি চিত্রকে। ৪ জুলাই

প্রদর্শনীতে অ্যাক্রিলিক ও জলরঙের মোট ৫৮টি শিল্পকর্ম রয়েছে। এই কাজগুলো বিমূর্ত রীতিতে আঁকা। শিল্পী সামছুল আলম তাঁর কাজ নিয়ে বলেছেন, তিনি প্রথমত বস্তুর বা বিষের গঠনগত দিকটি সম্পর্কে জেনে নেন। এটি শিল্পকলার বাস্তব ধারা। পরবর্তী সময়ে ভাবেন বস্তুর দর্শনগত দিকটি নিয়ে। এটি বিমূর্ত রীতির। এই উভয় দিকের সমন্বয় করে তিনি তাঁর চিত্রকলা রচনা করেন। রং-রূপের বিন্যাসে তিনি প্রকৃতি ও দিগন্তের মধ্যে তার নান্দনিকতাকে উদ্ভাসিত করে তোলেন।

দর্শকদের জন্য এই প্রদর্শনী প্রতিদিন খোলা থাকবে বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। চলবে আগামী ১৮ জুলাই পর্যন্ত।

শিল্পী সামছুল আলম আজাদ দীর্ঘদিন থেকে নারায়ণগঞ্জ চারুকলা ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ১৯৯১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। পরে মাল্টিমিডিয়ায় ডিপ্লোমাসহ দেশ-বিদেশে বিভিন্ন কর্মশালায় অংশ নিয়েছেন। এটি তাঁর তৃতীয় একক শিল্পকর্ম প্রদর্শনী। এ ছাড়া জাপান, ভারত, ওমানসহ দেশ-বিদেশে অনেক যৌথ প্রদর্শনীতে তাঁর শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হয়েছে।

Read full story at source