হাসপাতালে গালিব

· Prothom Alo

খালিদ-গালিব আমাদের যমজ পুত্র। তাদের চেহারা–ছবি এক রকম। সিনেমা স্টাইল। তারা আইডেন্টিক্যাল টুইন।

Visit extonnews.click for more information.

গালিবের হাত ভেঙে গেছে। বয়স ৯ বছর। সে স্পাইডার–ম্যান হয়ে আলমারি বেয়ে উপরে উঠছিল। হাত ভেঙে ঝুলছে। কান্নাকাটি নেই। গালিব শারীরিক যন্ত্রণা বোধ করে না।

হাসপাতালে গালিবের হাতের জটিল অপারেশন হয়েছে। জ্ঞান ফেরার পর গালিব ভীষণ যন্ত্রণায় চিৎকার করবে। তাকে সামলানোর জন্য ডাক্তার তার পাশে একজন অ্যাটেনডেন্ট রেখে গেছেন।

গালিবের জ্ঞান ফিরে এসেছে। গালিব তীব্র যন্ত্রণায় চিৎকার–চেঁচামেচি করেনি। স্বাভাবিক গলায় জিজ্ঞেস করেছে, ‘মা কোথায়?’

অ্যাটেনডেন্ট ঘাবড়ে গেছেন। ঘটনা এ রকম হওয়ার কথা নয়! গালিবকে তার কাছে স্বাভাবিক মনে হয়নি। তিনি ঘটনা ডাক্তারকে জানানোর জন্য রওনা হয়েছেন।

ঘর থেকে বের হয়ে অ্যাটেনডেন্ট দেখেন পেশেন্ট দরজার কাছে দাঁড়িয়ে আছে। তিনি খালিদকে চেনেন না। দেখলেন পেশেন্টের হাতে ব্যান্ডেজ নেই। ঘটনা তাকে বিভ্রান্ত করে ফেলেছে।

এআইয়ের সহযোগিতায় অলংকরণ

অ্যাটেনডেন্ট কেবিনে পেশেন্টের কাছে ফিরে গেলেন। গিয়ে দেখেন হাতে ব্যান্ডেজ নিয়ে পেশেন্ট বিছানায় শুয়ে আছে। তিনি বুঝতে পারলেন না একই সময়ে একজন মানুষ দুই জায়গায় কীভাবে থাকে!

আমরা শুধু জানতে পারলাম অ্যাটেনডেন্ট অজ্ঞান হয়ে গালিবের বেডের পাশে ফ্লোরে পড়ে আছেন। ঘটনা জেনেছি তার জ্ঞান ফেরার পর।

Read full story at source