নতুন অর্থবছরেও সব করদাতাকে অনলাইনে রিটার্ন দিতে হবে
· Prothom Alo
আগামী অর্থবছরেও সব করদাতাকে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে। এটি বাধ্যতামূলক করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। গতকাল রোববার এ বিষয়ে বিশেষ আদেশ জারি করেছে এনবিআর। আগামী ১ জুলাই থেকে অনলাইনে রিটার্ন দেওয়া যাবে।
চলতি অর্থবছরের আয়কর রিটার্নও অনলাইনে দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। ২০২৬–২৭ অর্থবছরে আয়কর রিটার্ন এনবিআরের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে জমা দিতে পারবেন।
Visit somethingsdifferent.biz for more information.
বর্তমান সোয়া এক কোটি কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (টিআইএন) আছেন। তাঁদের মধ্যে প্রতিবছর মাত্র ৪০–৪২ লাখের মতো রিটার্ন দেন।
যাঁদের অনলাইনে রিটার্ন না দিলেও চলবে
পাঁচ শ্রেণির করদাতাদের অনলাইনে রিটার্ন দেওয়া ছাড় দেওয়া হয়েছে। এনবিআরের ওই বিশেষ আদেশ অনুসারে, ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের প্রবীণ করদাতা; সনদপত্র দাখিল সাপেক্ষে শারীরিকভাবে অসমর্থ বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন করদাতা; বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি করদাতা; মৃত করদাতার পক্ষে আইনগত প্রতিনিধি; বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিকেরা অনলাইনে রিটান না দিলেও চলবে। চাইলে তাঁরা অনলাইনে রিটার্ন দিতে পারবেন।
কীভাবে কর দেবেন
করদাতারা ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, রকেট, নগদ অথবা অন্য কোনো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস অ্যাপ ব্যবহার করে ঘরে বসেই কর পরিশোধ করে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে পারেন।
অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হলে তা তাৎক্ষণিকভাবে সমাধানের জন্য রাজস্ব বোর্ডের কর্মীরা কল সেন্টার এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সার্বক্ষণিক সেবা প্রদান করবেন।
সারা বছর আয়কর রিটার্ন দেওয়া যাবে
আগামী অর্থবছর থেকে সারা বছর রিটার্ন দেওয়া যাবে। আগে দিলে বেশি করছাড় পাবেন করদাতারা। বাজেট প্রস্তাব অনুসারে, অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) রিটার্ন দিলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ বা ২৫ হাজার টাকা, যা কম, তা–ই ছাড় পাবেন। দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) রিটার্ন দিলে যা কর, তা–ই দিলেই হবে। কোনো প্রণোদনা পাওয়া যাবে না।
আর জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে রিটার্ন দিলে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ বা তিন হাজার টাকা, যেটি বেশি সেই পরিমাণ টাকা দিতে হবে। এপ্রিল-জুন মাসে রিটার্ন দিলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ বা পাঁচ হাজার টাকা, যেটি বেশি, সেই পরিমাণ টাকা দিতে হবে।