যুদ্ধ, সামরিক দূষণ এবং মিথ্যা জলবায়ু অঙ্গীকার

· Prothom Alo

  • বিশ্বের শীর্ষ ৬০ সামরিক ব্যয়কারী দেশের বেশির ভাগই সামরিক খাতের গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন তথ্য লুকায়।

    Visit playerbros.org for more information.

  • বৈশ্বিক কার্বন নির্গমনের ৩২ ভাগ করে চীন, যুক্তরাষ্ট্র করে ১৩ ভাগ। জনপ্রতি কার্বন নির্গমন বেশি কাতার, বাহরাইন ও কুয়েতে।

দুবাই জলবায়ু সম্মেলনে পরিচয় হয়েছিল জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক রুলা আসাদের সঙ্গে। আলাপকালে রুলা বলেছিলেন, ‘...যুদ্ধ ও গণহত্যা বন্ধ না করে জলবায়ু ন্যায়বিচার সম্ভব নয়। গাজায় শিশুদের হত্যা করা হচ্ছে অন্যায়ভাবে। অস্ত্র তৈরি থেকে শুরু করে একটি যুদ্ধ চালানোর যাবতীয় কর্মকাণ্ড জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিকে বাড়িয়ে দেয়। আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে আমরা ঝুঁকি বাড়াব না কমাব। প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে আমরা ঝুঁকি হ্রাসের অঙ্গীকার করেছিলাম। নিজেদের অঙ্গীকারগুলো বারবার ভুলে যাওয়া অন্যায়।’

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় বিধ্বস্ত একটি এলাকা

যুদ্ধ ও গণহত্যা বন্ধ করে জলবায়ু তৎপরতাকে ‘বেসামরিকীকরণ’ করার আওয়াজ উঠেছে বিশ্বময়। সামরিক খাতে বিনিয়োগ বন্ধ করে ‘জলবায়ু অর্থায়ন’ নিশ্চিত করার দাবি তুলেছে পৃথিবী।

কিন্তু বিশ্বনেতৃত্ব কথা রাখেনি। ক্রমাগত অস্থির আর দীর্ঘ হয়ে উঠছে যুদ্ধের বাজার। এক একটি যুদ্ধ বিশাল পরিমাণে কার্বন নির্গমন করে এবং পরিবেশদূষণ ঘটায়। যুদ্ধের সামরিক সরঞ্জাম তৈরিতে বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক পানি খুন হয়। অথচ দক্ষিণ গোলার্ধের গ্রাম থেকে নগর বস্তির নারী ও শিশুরা এক কলস পানির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে।

ইরানের পুলিশের স্থাপনায় হামলার পর ধ্বংসস্তূপের মাঝখানে দেশটির একটি জাতীয় পতাকা দেখা যাচ্ছে। রাজধানী তেহরানে, ৪ মার্চ ২০২৬

আজ ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন বা জলবায়ু তৎপরতা’। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ২০১৫ সালে তৈরি হয় প্যারিস জলবায়ু চুক্তি। বৈশ্বিক উষ্ণতা দেড় ডিগ্রি, জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার হ্রাস এবং বৈশ্বিক জলবায়ু তহবিলের অঙ্গীকার হয়েছিল। কার্বন নির্গমন রোধে রাষ্ট্রগুলো অভ্যন্তরীণ অবদানের জাতীয় দলিল বা ‘ন্যাশনালি ডিটারমাইন্ড কন্ট্রিবিউশন (এনডিসি)’ তৈরির অঙ্গীকার করেছিল। বাংলাদেশ এই দলিল জমা দিলেও যুদ্ধবাজ যুক্তরাষ্ট্র বিগত সম্মেলনে তা জমা দেয়নি।

বিশ্বনেতৃত্ব জলবায়ু নিয়ে এখনো বিশ্ববাসীর সঙ্গে প্রতারণা করে চলেছে। অন্যায়ভাবে সময়ক্ষেপণ এবং অঙ্গীকার ভঙ্গ করছে। যুদ্ধ এবং সামরিক বাণিজ্যের মাধ্যমে যে কার্বনদূষণ ঘটছে, সেই তথ্য গোপন রাখছে। জলবায়ু ডিসকোর্সকে জবরদস্তি করে ঔপনিবেশিক ও সামরিকায়ন করা হচ্ছে।

কিন্তু বিশ্বনেতৃত্ব কথা রাখেনি। ক্রমাগত অস্থির আর দীর্ঘ হয়ে উঠছে যুদ্ধের বাজার। এক একটি যুদ্ধ বিশাল পরিমাণে কার্বন নির্গমন করে এবং পরিবেশদূষণ ঘটায়। যুদ্ধের সামরিক সরঞ্জাম তৈরিতে বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক পানি খুন হয়। অথচ দক্ষিণ গোলার্ধের গ্রাম থেকে নগর বস্তির নারী ও শিশুরা এক কলস পানির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে।

‘সামরিক নির্গমনের’ তথ্য লুকোচুরি

ঐতিহাসিকভাবে বৃহৎ কার্বনদূষণের জন্য দায়ী আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলোকে পেছনে ফেলে চীন আজ হয়ে উঠেছে বৃহৎ দূষণকারী। বৈশ্বিক মোট কার্বন নির্গমনের ৩২ ভাগ একাই করে চীন, আমেরিকা ১৩ ভাগ। জনপ্রতি কার্বন নির্গমনের হার সবচেয়ে বেশি কাতার, বাহরাইন ও কুয়েতে।

বিশ্বব্যাংকের ‘বাংলাদেশ কান্ট্রি ক্লাইমেট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট (২০২২)’ অনুযায়ী, বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের মূন্য দশমিক ৪ ভাগ নির্গমন করে বাংলাদেশ। এত কম নির্গমন করেও বাংলাদেশের উপকূলের গরিব নারীরা কেন আজ তীব্র লবণাক্ততার কারণে তাঁদের জরায়ু কেটে ফেলতে বাধ্য হচ্ছেন? কিংবা বছর বছর পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যাওয়া হাওরের গ্রাম থেকে কেন আজ উদ্বাস্তু হচ্ছে তরুণ কৃষক? কোনো জলবায়ু সম্মেলন এসব প্রশ্নের উত্তর দেয়নি।

গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের বৈশ্বিক দলিলে সচরাচর গোপন করা হয় অস্ত্র কারখানা, যুদ্ধসহ সামগ্রিক সামরিক খাতের দূষণ। এক হিসাবে দেখা যায়, বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাসের মোট নির্গমনের ৫.৫ ভাগ হলো সামরিক খাতের নির্গমন।

প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে সামরিক নির্গমন বা মিলিটারি ইমিশনের তথ্য প্রকাশকে বাধ্যতামূলক করা হয়নি, স্বেচ্ছামূলক কাজ হিসেবে রাখা হয়েছে। বাধ্যবাধকতা না থাকার কারণে কোনো রাষ্ট্রই সামরিক নির্গমনের তথ্য প্রকাশে দায়দায়িত্ব বোধ করে না। অনেক রাষ্ট্র আবার সামরিক নির্গমনের তথ্য প্রকাশকে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার হুমকি হিসেবেও দেখে। আর এই ‘মিলিটারি ইমিশন গ্যাপ’ জলবায়ু-স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির বিশ্বমঞ্চকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

জাতিসংঘের জলবায়ুবিষয়ক প্রতিষ্ঠান ইউএনএফসিসিসি ধনী ও অধিক কার্বন নিঃসরণকারী রাষ্ট্রগুলোকে অ্যানেক্স-১ হিসেবে তালিকাবদ্ধ করেছে। যদি সামরিক নির্গমন প্রদর্শন বাধ্যতামূলকও হয়, তবে কেবল অ্যানেক্স-১ তালিকাভুক্ত মাত্র ৪৩ দেশকে এটি দেখাতে হবে। কিন্তু বৃহৎ সামরিক খাত ও ব্যয় থাকা সত্ত্বেও কেবল নন-অ্যানেক্স–১ তালিকাভুক্ত রাষ্ট্র হওয়ায় চীন, ইসরায়েল, সৌদি আরব কিংবা ভারতকে সামরিক নির্গমনের তথ্য হয়তো প্রকাশ করতে হবে না।

জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক আন্তসরকার প্যানেলের (আইপিসিসি) নীতিমালা অনুযায়ী নির্গমনের উৎস ও খাতগুলো বিভিন্ন ক্যাটাগরি কোডে বিন্যস্ত। সেখানে সামরিক খাত থেকে নির্গমনকে সুনির্দিষ্ট করা হয়নি। নিঃসরণ না লুকিয়ে নির্গমনের সব খাত ও উৎসভিত্তিক তথ্য–উপাত্ত পাবলিক পরিসরে উত্থাপন করা দরকার।

বিশ্বব্যাংকের ‘বাংলাদেশ কান্ট্রি ক্লাইমেট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট (২০২২)’ অনুযায়ী, বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের মূন্য দশমিক ৪ ভাগ নির্গমন করে বাংলাদেশ। এত কম নির্গমন করেও বাংলাদেশের উপকূলের গরিব নারীরা কেন আজ তীব্র লবণাক্ততার কারণে তাঁদের জরায়ু কেটে ফেলতে বাধ্য হচ্ছেন? কিংবা বছর বছর পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যাওয়া হাওরের গ্রাম থেকে কেন আজ উদ্বাস্তু হচ্ছে তরুণ কৃষক? কোনো জলবায়ু সম্মেলন এসব প্রশ্নের উত্তর দেয়নি।
পাভেল পার্থ

দূষণের তথ্য প্রকাশ বাধ্যতামূলক হোক

‘মিলিটারি ইমিশন ডট অর্গ’–এর সূত্রমতে, যুদ্ধাস্ত্র, যুদ্ধবিমান, নৌ ও সামরিক যানের মাধ্যমেই বেশি সামরিক নির্গমন ঘটে। নীতি বিশ্লেষক গ্রেস আলেক্সান্ডার এক বিশ্লেষণে জানান, আমেরিকা, চীন ও রাশিয়ার মতো বৃহৎ সামরিক শক্তির দেশগুলো সামরিক খাতের নির্গমনের তথ্য সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করে না।

অস্ত্র বাণিজ্য, সামরিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ে কর্মরত সুইডেনভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ‘স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (সিপ্রি)’ এক গবেষণায় দেখা যায়, ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালে সামরিক খাতে ৯ দশমিক ৪ ভাগ ব্যয় বেড়েছে। আন্তর্জাতিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ‘কনফ্লিক্ট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট অবজারভেটরির (সিইওবিএস)’ ২০২৫ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের শীর্ষ ৬০টি সামরিক ব্যয়কারী দেশের একটি বড় অংশ সামরিক খাতের গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের তথ্য পূর্ণাঙ্গভাবে প্রকাশ করে না, ফলে বৈশ্বিক জলবায়ু প্রতিবেদনে একটি উল্লেখযোগ্য ঘাটতি থেকে যায়।

আবার সামরিক নির্গমনের তথ্যের গরমিল নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। দেখা যায়, রাশিয়ায় ২০২০ সালে নির্গমন ছিল ৪০ মিলিয়ন টন কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ২০২১ সালে ২১ মিলিয়ন টন, ২০২২ সালে ১৫ মিলিয়ন টন এবং ২০২৩ সালে আবার ৪২ মিলিয়ন টন। কিন্তু ২০২২ সালে রাশিয়া ইউক্রেনে সামরিক আগ্রাসন শুরু করে। আর জীবাশ্ম জ্বালানি নির্ভর এই যুদ্ধের কারণে নির্গমন কমতে পারে না। ‘সামরিক নির্গমনের’ তথ্য প্রকাশকে বাধ্যতামূলক করতে হবে। তাই ‘সামরিক নির্গমনের’ তথ্য প্রকাশকে বাধ্যতামূলক করতে হবে।

যুদ্ধের কারণে রক্তাক্ত ও ভগ্নস্তূপে পরিণত দেশের বেসামরিক নাগরিকের খাদ্য, পানি, বিদ্যুৎ ও আশ্রয় সরবরাহের জন্য বিপুল জীবাশ্ম-জ্বালানির প্রয়োজন হয়। সংঘাতের কারণে উদ্বাস্তু মানুষের শরণার্থীশিবির ও আশ্রয়কেন্দ্রগুলো তৈরির জন্য কৃষিজমি, বনাঞ্চল ও প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্রের শ্রেণি পরিবর্তনের ফলে কার্বন নিঃসরণ ঘটে। মিয়ানমার থেকে উদ্বাস্তু রোহিঙ্গাদের আশ্রয়শিবিরের জন্য বাংলাদেশের কক্সবাজারের বনাঞ্চল ও হাতির করিডর বিনষ্ট হয়েছে।

কার্বন পদচ্ছাপ এবং কার্বন বুটপ্রিন্ট

সামরিক খাতের কার্বন পদচ্ছাপই ‘কার্বন বুটপ্রিন্ট’। জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় এই কার্বন বুটপ্রিন্ট থামাতে হবে। সামরিক বুটের তলায় সৌরজগতের এক গ্রহের সম্ভাবনা চুরমার হতে পারে না। যুদ্ধের কারণে প্রাকৃতিক বনভূমি ও বাস্তুতন্ত্র ধ্বংস হয়। ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া কিংবা লাওসে বনভূমি বিনাশ করা হয়েছে। আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া সংঘাতের কারণে নাগোরনো-কারাবাখের বিশাল বনাঞ্চল পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

যুদ্ধের কারণে রক্তাক্ত ও ভগ্নস্তূপে পরিণত দেশের বেসামরিক নাগরিকের খাদ্য, পানি, বিদ্যুৎ ও আশ্রয় সরবরাহের জন্য বিপুল জীবাশ্ম-জ্বালানির প্রয়োজন হয়। সংঘাতের কারণে উদ্বাস্তু মানুষের শরণার্থীশিবির ও আশ্রয়কেন্দ্রগুলো তৈরির জন্য কৃষিজমি, বনাঞ্চল ও প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্রের শ্রেণি পরিবর্তনের ফলে কার্বন নিঃসরণ ঘটে। মিয়ানমার থেকে উদ্বাস্তু রোহিঙ্গাদের আশ্রয়শিবিরের জন্য বাংলাদেশের কক্সবাজারের বনাঞ্চল ও হাতির করিডর বিনষ্ট হয়েছে।

যুদ্ধের কারণে তেল-গ্যাস খনিগুলো ঝুঁকিতে থাকে, উত্তোলন ও সরবরাহ কাঠামো ভেঙে যায়। এ কারণে বিপুল পরিমাণ গ্যাস ফ্লেয়ারিং বা পুড়িয়ে ফেলতে হয়; যা পরিবেশদূষণ ঘটায়। ‘কলোরাডো স্কুল অব মাইনসের (২০২০)’ তথ্যমতে, যুদ্ধের কারণে ইরাক, লিবিয়া, সিরিয়া ও ইয়েমেনে ফ্লেয়ারিং বেড়ে যায়।

যুদ্ধের কারণে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পুনর্গঠন, অবকাঠামো পুনর্নির্মাণের মাধ্যমে জলবায়ুর ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলে। যুদ্ধবিধ্বস্ত লিবিয়ায় প্রায় ৯০ ভাগ বর্জ্যপানি শোধন ছাড়াই সরাসরি সমুদ্রে ফেলা হয়। গাজা কিংবা ইয়েমেনেও একই অবস্থা।

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের উপকণ্ঠে রাশিয়ার হামলায় বিধ্বস্ত একটি আবাসিক ভবন। গত বছরের সেপ্টেম্বরে

জনগণের জলবায়ু সংগ্রাম

‘ইউরোপিয়ান ক্লাইমেট ফাউন্ডেশন’ এবং ইউক্রেনের ‘এনভায়রনমেন্টাল পলিসি অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি ইনিশিয়েটিভের’ এক যৌথ গবেষণা জানায়, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে যে নির্গমন বেড়েছে, তা ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ২৬০টি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্গমনের সমান।

২০২১-২৫ সময়কালের উপাত্ত বিশ্লেষণ করে সিপ্রি বিশ্বের ৬৬টি রাষ্ট্রকে প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী হিসেবে চিহ্নিত করেছে। যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, রাশিয়া, জার্মানি ও চীন—এই পাঁচটি বৃহত্তম অস্ত্র উৎপাদনকারী দেশ বিশ্বের মোট অস্ত্র রপ্তানির ৭০ ভাগ নিয়ন্ত্রণ করে।

আনুষ্ঠানিক পৃষ্ঠপোষক না হলেও সামরিক কোম্পানির অংশগ্রহণ থাকে জলবায়ু সম্মেলনে। বৃহৎ দূষণকারী বহু অ্যাগ্রো-কেমিক্যাল, পানীয়, মাংস, খাদ্য, প্রসাধন কোম্পানি জলবায়ু সম্মেলনে পৃষ্ঠপোষকতা করে। জলবায়ু সংলাপকে ঔপনিবেশিকতা ও সামরিকায়নের বাইরে রাখতে হবে। জনগণের জলবায়ু সংগ্রামে শামিল হোক বিশ্ব।

Read full story at source