ইউপি চেয়ারম্যানের খামারে হাজার কেজির দুই ‘ডায়মন্ড’, বিক্রির জন্য নেবেন ঢাকায়
· Prothom Alo

কোরবানির ঈদ সামনে রেখে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার একটি খামারের দুটি বিশাল আকৃতির গরু ঘিরে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। এক হাজার কেজি ওজনের গরু দুটির নাম রাখা হয়েছে ‘হোয়াইট ডায়মন্ড’ ও ‘ব্ল্যাক ডায়মন্ড’। গরু দুটির একেকটির দাম হাঁকা হচ্ছে ১২ লাখ টাকা। তবে স্থানীয় বাজারে কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় সেগুলো রাজধানীতে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন খামারমালিক।
গরু দুটির মালিক নড়িয়া উপজেলার ডিঙ্গামানিক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল আজিজ সরদার। তাঁর খামারে বর্তমানে ১১টি গরু, ২১টি মহিষ ও ১০টি খাসি আছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ছে ‘হোয়াইট ডায়মন্ড’ ও ‘ব্ল্যাক ডায়মন্ড’ নামের দুটি গরু।
Visit betsport24.es for more information.
আবদুল আজিজ জানান, সাড়ে পাঁচ বছর আগে ছয় মাস বয়সী দুটি গরু খামারে আনা হয়। একটি সাদা ও অন্যটি কালো হওয়ায় এদের নাম রাখা হয় ‘হোয়াইট ডায়মন্ড’ ও ‘ব্ল্যাক ডায়মন্ড’। বর্তমানে প্রতিটি গরুর ওজন প্রায় এক হাজার কেজি।
আবদুল আজিজ বলেন, খামারে অনেক ক্রেতা গরু দেখতে আসছেন। তবে কেউ ১২ লাখ টাকা দাম দিতে রাজি হচ্ছেন না। স্থানীয়ভাবে সর্বোচ্চ সাত লাখ টাকা পর্যন্ত দাম বলা হয়েছে। তাই গরু দুটি ঢাকায় নিয়ে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর ভাষায়, ‘ঢাকায় অনেক শৌখিন ক্রেতা আছেন, যাঁরা বড় ও ভালো কোরবানির পশু কিনতে আগ্রহী। আশা করছি সেখানে ভালো দাম পাওয়া যাবে।’
খামারে গরুর পাশাপাশি বিভিন্ন আকৃতির মহিষও আছে। এক বছর আগে ভোলা থেকে মহিষগুলো আনা হয়েছে। এসব মহিষের দাম দুই লাখ থেকে পাঁচ লাখ টাকার মধ্যে রাখা হয়েছে।
জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্র জানায়, শরীয়তপুরে এবার কোরবানির জন্য ১১ হাজার ২৮৪টি খামারে ১ লাখ ৩১ হাজার ২৮৪টি গবাদিপশু প্রস্তুত করা হয়েছে। জেলার বিভিন্ন হাটবাজারের পাশাপাশি খামার থেকেও পশু বিক্রি হচ্ছে।
শরীয়তপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিক বলেন, জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদার তুলনায় অন্তত ২০ হাজার বেশি পশু প্রস্তুত আছে। বড় আকৃতির পশুর দাম নিয়ে শুরুতে দর-কষাকষি থাকলেও ঈদের কাছাকাছি সময়ে এসব পশুর ভালো দাম পাওয়া যায়। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এবার খামারিদের প্রস্তুত করা সব পশুই বিক্রি হবে।