হুমায়ূন আহমেদের লেখা পাঠকের সৃজনশীল মনোভাব সমৃদ্ধ করে

· Prothom Alo

হুমায়ূন আহমেদের লেখা বরাবরই পাঠকদের যেমন আনন্দ দেয়, তেমনি জীবনের গভীর সত্যের মুখোমুখি করে। এরই ধারাবাহিকতায় ভৈরব বন্ধুসভার ২০৩তম পাঠচক্রের আসরে আলোচনা করা হয়েছে হুমায়ূন আহমেদের অনবদ্য সৃষ্টি ‘আসমানীরা তিন বোন’। ১৯ এপ্রিল সন্ধ্যায় প্রথম আলো ভৈরব আঞ্চলিক অফিসে এই আসর বসে।

Visit palladian.co.za for more information.

শুরুতে হুমায়ূন আহমেদের সাহিত্য ও জীবনদর্শন নিয়ে আলোচনা করেন সভাপতি জান্নাতুল মিশু। লেখকের সহজবোধ্য ভাষা এবং চরিত্র সৃষ্টির অসামান্য দক্ষতা কীভাবে বাংলা সাহিত্যের পাঠকদের বইমুখী করেছে, বক্তব্যে তা তুলে ধরেন জান্নাতুল মিশু।

ভৈরব বন্ধুসভার ২০৩তম পাঠচক্রের আসর

আলোচক মোজ্জাম্মেল অনুপম বইটির প্রতি মুগ্ধতা প্রকাশ করে বলেন, ‘বইয়ের প্রচ্ছদটি দেখে গল্পের যে আন্দাজ করেছিলাম, গল্পের শেষে তার মিল খুঁজতে গিয়ে চমকে গেলাম।’ আসরে নতুন তিন বন্ধু—মোজাম্মেল অনুপম, তুহিন আহমেদ ও ভুবন আহমেদ গল্পের প্রধান চরিত্র আসমানী, জামদানী ও পয়সাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা অভাবী জীবন এবং সার্কাসের এক রোমাঞ্চকর ও আতঙ্কিত জীবনের গল্প চমৎকারভাবে তুলে ধরেন। পরে পাঠচক্র ও পাঠাগার সম্পাদক মহিমা মেধা বইটির সারাংশ ও সমাপ্তি বর্ণনা করে আলোচনার ইতি টানেন।

বন্ধুসভার উপদেষ্টা ও প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক সুমন মোল্লা বলেন, ‘বইমেলায় হুমায়ূন আহমেদের অগণিত বই বিক্রির পেছনে মূলত লেখকের রচনার সৌন্দর্য এবং আকর্ষণ কাজ করে। হুমায়ূন আহমেদ তাঁর লেখার মাধ্যমেই নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তাঁর সৃষ্টির এই মর্যাদা আজীবন অক্ষুণ্ণ থাকবে।’

ভৈরব বন্ধুসভার ২০৩তম পাঠচক্রের আসর

কার্যনির্বাহী সদস্য প্রিয়াঙ্কা তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘হুমায়ূন স্যারের লেখা আমাদের সৃজনশীল মনোভাবকে সমৃদ্ধ করে। এই গল্পের চরিত্রগুলো আমাদের জীবনের জন্য এক বড় শিক্ষা।’

নতুন বন্ধুদের আলোচনায় তাঁদের উজ্জীবিত করে সাধারণ সম্পাদক জিসানউল্লাহ আনাস বলেন, ‘নতুন বন্ধুদের এমন প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ আমাদের মুগ্ধ করেছে। পাঠচক্রের এই মঞ্চ সব সময় নতুনদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ করে দেবে। তাঁদের এই সৃজনশীল যাত্রা অব্যাহত থাকুক।’

জান্নাতুল মিশুর সভাপতিত্বে পাঠচক্রে আরও উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাফিস রহমানসহ অন্য সম্পাদক ও সদস্যরা।

পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক, ভৈরব বন্ধুসভা

Read full story at source