রাজশাহী মেডিকেলে হামের চিকিৎসায় ৮ সদস্যের বোর্ড গঠন

· Prothom Alo

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হাম ও এর উপসর্গের রোগীর সংখ্যা বেড়ে চলেছে। অবশেষে এই সংক্রামক রোগের চিকিৎসায় একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার আট সদস্যের এই বোর্ড গঠন করা হয়।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পি কে এম মাসুদ উল ইসলামের এক আদেশে বলা হয়েছে, হাসপাতালে হাম রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। হাম–পরবর্তী জটিলতায় সংকটাপন্ন রোগীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে এই মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হলো। বোর্ডের সদস্যরা প্রয়োজন অনুযায়ী সরেজমিনে কার্য সম্পাদন করবেন।

Visit casino-promo.biz for more information.

হাসপাতালের শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক শাহিদা ইয়াসমিনকে এই মেডিকেল বোর্ডের সভাপতি করা হয়েছে। অন্য সাত সদস্য হলেন মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক অধ্যাপক আজিজুল হক, নিউরো মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মনজুর এলাহী, রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক আহমদ যায়নুদ্দীন সানী, রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ভাইরোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক শারমিনা আফতাব, হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) ইউনিট প্রধান আবু হেনা মোস্তফা কামাল, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রধান মিজানুর রহমান ও কার্ডিওলজি বিভাগের জুনিয়র কনসালটেন্ট রকিবুল হাসান রাসেদ।

হাসপাতালের মুখপাত্র শংকর কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘এটি হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম। রোগীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে সব বিভাগের প্রধান কিংবা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে এ ধরনের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়ে থাকে। এটিও সে রকম বোর্ড।’

রাজশাহী অঞ্চলে গত মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে হাম রোগের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। এর পর থেকেই হাসপাতালে রোগীরা আসতে থাকেন। রোগটি ছোঁয়াচে হলেও শুরুর দিকে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডেই অন্য সব শিশুর সঙ্গে গাদাগাদি করে হামের উপসর্গ নিয়ে আসা শিশুদেরও চিকিৎসা চলছিল। অবশেষে মার্চের শেষের দিকে এসে আইসোলেশন ওয়ার্ড করা হয়।

হাসপাতালে এ পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৫১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সর্বশেষ বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এক শিশুর মৃত্যু হয়। এই সময়ের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন ১১ শিশু ভর্তি হয়েছে। আর সুস্থ হওয়ায় ছাড়পত্র পেয়েছে ২৯টি শিশু। সংক্রমণ শুরুর পর এ পর্যন্ত ৬১৩ শিশু ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে চিকিৎসাধীন ১৪৫টি শিশু।

Read full story at source